একেই বলে দ্বায়িত্ববোধ,আনন্দ টেলিভিশনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মোস্তফা কামাল তোহা

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের উজ্জ্বল নক্ষত্র মোস্তফা কামাল তোহা। তিনি দেখিয়ে দিলেন দ্বায়িত্ব কাকে বলে। বুধবার রাত ১১ টায় তিনি খিলক্ষেত এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে আহত হওয়ায় হাঁটাচলা ঠিক মতো করতে না পারায় ডাক্তারের পরামর্শ মতো বাসায় রেস্টে থাকা সত্ত্বেও বাসায় বসেই একপা সোজা করে অন্য চেয়ারে বসে অফিসের সকল কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে দেখিয়ে দিলেন দ্বায়িত্ব কাকে বলে।ইতিহাসের পাতায় এই দিনটির কথা স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। আনন্দ টেলিভিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক যে দিন থেকে তাকে ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ এর দ্বায়িত্ব দিয়েছেন সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত কখনও তিনি দ্বায়িত্বে অবহেলা করেন নাই। আনন্দ টেলিভিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের  দিক নিদর্শনা মোতাবেক তার দক্ষতা দিয়ে কাজ করে চ্যানেলটিকে দিন দিন  নিয়ে যাচ্ছেন উন্নতির দিকে।গুরুতর অসুস্থ হয়ে বাসায় কি অবস্থায় আছেন প্রতি মুহূর্তে পরিবারের অভিভাবকের মতো খোঁজ খবর নিচ্ছেন আনন্দ টেলিভিশনের ব্যবস্থপনা পরিচালক। মোস্তফা কামাল তোহা আনন্দ টেলিভিশনকে তার হৃদয়ে ধারণ করেছেন তাই শতকষ্টের মাঝেও অফিসের সকল কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল তোহা বলেন এমডি স্যার যেমন আমাকে তার ভালোবাসা দিয়ে আগলে রেখেছে ঠিক তেমনি আমিও আনন্দ টেলিভিশনকে হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছি এবং যতদিন এই দ্বায়িত্বে থাকবো ততোদিন আমার জীবনের বিনিময়ে হলোও চ্যানেলটিকে আগলে রাখবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বিগত দুই বছরে মাত্র একদিন ছুটি কাটিয়েছেন, তাও আবার শারীরিক অসুস্থতার জন্য। অত্যান্ত কাজ পাগল একজন ব্যাক্তি। তার সততা মেধা এবং পরিশ্রম দিয়ে চ্যানেলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উচ্চতর স্থানে।সারাদেশের সকল প্রতিনিধিদের হৃদয়ের মানুষ ভালোবাসার মানুষ মোস্তফা কামাল তোহা। যুগে যুগে এরকম তোহার সৃষ্টি হোক তাহলে একদিকে জাতি যেমন পাবেন মেধাবী এবং সৎ এবং ন্যায়পরায়ন ব্যাক্তি তেমনি দেশ ও এগিয়ে যাবে এই সকল সূর্য সন্তানদের হাত ধরে। আনন্দ টেলিভিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর দিকনিদের্শনায় আপনার হাত ধরে এগিয়ে চলছে আনন্দ টেলিভিশন। দ্রুত আল্লাহ আপনাকে সুস্থ করে আপনার প্রিয় কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।