বৃষ্টিতে ক্রেতা কম, দামও বেশি

সারা দেশের মতো রাজধানীতেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে।শীতের মধ‌্যে এই বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে জনজীবনে।রাজধানীর কাঁচা বাজারেও সেই প্রভাব দেখা গেছে।

বৃষ্টির কারণে শুক্রবার সকালে বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। শাক সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর নিউমার্কেট, জিগাতলা, রায়ের বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।

বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে তেমন ক্রেতা নেই। অধিকাংশ বিক্রেতারা অলস সময় পার করছে।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের সবজি বিক্রেতা মো. হান্নান মিয়া বলেন, ‘সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছে। এই বৃষ্টিতে ক্রেতারা বাসা থেকে বের হতে পারছে না। তাই বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম। তবে বৃষ্টি কমলে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়বে। কারণ আজ ছুটির দিন।’

তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় আজ প্রায় সকল সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজিতে প্রায় ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি দাম দিয়ে সবজি কিনেছি।’

জিগাতলা বাজারে সবজি বিক্রেতা মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘আজ পাইকারি বাজারে সরবারাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আশা করি ২-৩ দিনের মধ্যে দাম আবার কমে যাবে।সবজির বাজার সবসময় উঠা-নামা করে। কাঁচামালের বাজার এক থাকে ন।’

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, সিম কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, ক্ষিরাই ৫০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৩৫ টাকা, নতুন আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

কাঁচা মরিচ বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, লাউ ৬০ টাকা।

আঁটিপ্রতি লালশাক ১৫ টাকা, পালংশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, লাউশাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা, মাঝারি ইলিশ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, চিংড়ি ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা প্রকারভেদে। পাবদা মাছ ৫০০ টাকা কেজি, রুই মাছ ২২০ টাকা কেজি, পাংগাস মাছ ২৫০ টাকা কেজি, কাতল মাছ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।